Sunday! আসলে শনির রাতে রয়েছি। ২টো বেজে ৪৩ মিনিট। অন্যরকম একটা অভ্যেস এটা, যাকে কোনোভাবেই জীবন থেকে সরাতে পারলাম না। পারছি না কোনোমতেই। আমার inabilities-গুলোর মধ্যে অন্যতম এটি একটি। কী লাভ হয়? ওইটুকু মুহূর্তের এনট্রপিকে নিজের মধ্যে স্থির করে রাখাটায় তো মনে হয় সবচেয়ে বেশি বুদ্ধিমানের কাজ হবে। যাই হোক।
গরমের innings এখনো দুরন্ত হারে চলছে। আগের রবিবারগুলোর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।
যেগুলো মধুর ছিল বটে, কিন্তু ছিল প্রচুর আতঙ্কে ভরা। সেই আতঙ্কের কথা কোনোদিনই হয়তো ঠিক করে প্রকাশ করতে ইচ্ছাবোধ হয়নি! খুবই যে ভয়ানক, সেটাও আবার নই। মাসে একটা রবিবার কোনো না কোনোভাবেই যেন কোনো অন্ধকার উপায়ে fatal হয়েই পড়তো। রক্ত দেখেছে, তবেই শান্ত হয়েছে পরিবেশগুলো। রবিবারের পরিবেশগুলো।
Melancholic করে দেওয়াটা উদ্দেশ্য ছিল না। ঘটনা বলতে গিয়েই এই দুর্দশা। মধুর ঘটনা মনে পড়লেও সেটা নিয়ে ভাবতে ইচ্ছে করে না। অন্যদিকে খারাপ ঘটনা মনে আসলে ভাবনার শেষ থাকে না। যেমন এই ৩টে ঘড়িতে, ভাবনার পাহাড় একের পর এক। ডাইনামাইট দিয়ে গুঁড়িয়ে ফেলার যে প্রক্রিয়া, সেটারই অনুকরণ আমার লেখালেখি। পাহাড়গুলোকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। কলমের কালি ফুরিয়ে যাক, যাক আরও বেশি করে ফুরিয়ে ডায়েরির পাতা।
লেখাটাকে অন্যান্য মনের সামনে পেশ করার আগে আমি নিজেই যাচাই করতে বাধ্য হলাম।
মনে হলো, সময় নষ্ট।
এতক্ষণে গতদিনের ঘুমের ঘাটতিগুলোকে হয়তো পূরণ করলে ভালো হতো! কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর ঘাটতির দরুন যে ফাঁকা স্থান, অন্য আরেক নির্দিষ্ট বস্তু দিয়ে পূরণ—কি পুরোপুরিভাবেই সম্ভব? আমার গতকালের যে ঘুম, যেটাকে আমি…
অনেক বেশিই হয়ে গেল। ধন্যবাদ এতটা সহ্য করার জন্য। সময় নষ্ট করে ফেলার জন্য। আমার অন্ধকার একলা মধ্যরাতগুলোর একটির সাথে সরাসরি সাক্ষাত করার জন্য। ধন্যবাদ!