গল্প গল্প করছে মনটা শুধু। “একটা গল্পকে রূপ দে না, সৌরব।” “একটু চেষ্টা কর।” “একটু।”
সবই ঠিক আছে তাতে, কিন্তু এরকম অস্তিত্ব কতদিন স্থায়ী থাকবে? কূপের আরো গভীরে গিয়ে, পড়ে, আঘাত পেয়ে, মরে যাবো না তো?
মরে যাওয়ার আগেই যদি গল্পের রূপ প্রতিষ্ঠায় না হয়ে থাকে— তবে? কী হবে?
শব্দের মায়াজালে অগোছালো হয়ে পড়াটাও একটা বাধা। অন্যতম একটা বাধা বলা যেতেই পারে। কল্পনার সঞ্চার খুব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হলেও, শব্দের সেই তুলনায় ঘাটতি… একটা জটিল সমস্যা।
গল্পের দর্শকের অভাবটার কথা খেয়াল করতে ভুলে গেলে চলবে না। এই অভাব— সপ্তাহের পর সপ্তাহ দুই বেলা পান্তা খাওয়া অভাবের তুলনাতেও অনেক, অনেক বৃহৎ। তবে এই ক্ষেত্রেও একটু সুক্ষ জটিলতা আছে। এই অভাবের খেয়াল প্রত্যেক লেখার প্রত্যেক লেখকেরই থাকে, অভাবের কারণই হলো দর্শকদের নির্দয়ী মন, সেটার থেকে সৃষ্ট হওয়া অবজ্ঞা।
আমি মনে করি না আমার লেখা দর্শকহীন, অবহেলিত। হ্যা, অবহেলিত অবশ্যই, কিন্তু তাদের থেকে নই, নিজের থেকে।
কথার ধরণ অবোধ্য, অহেতুক, অযৌক্তিক। গল্পের ধরণ, গল্পের গঠন।
আমার গল্পের ধরণ।