“दुनिया की नजरों में ये रोग है
हौ जिनको वो जाने ये जोग है”
আজ আমি অন্যরকম। সৌরব অন্য রকমের কিছু প্রকাশ করতে চলেছে। অবশ্যই, আগেই confess করাটা উচিত আমার। ভাবনা গুলো খুব, বলতে গেলে – প্রচন্ডহারে fabricated, orchestrated, influenced or, precisely speaking(writing),
experienced from many factors। কিন্তু, genuine। No uncertainty! No Ambiguousness!
হ্যাঁ, সৌরব আজ precise,
positive, আর optimistic।
ওপরের quote করা হিন্দি গানের দুটো লাইন এর কথা
গুলো কি অসাধারণ ভাবেই সত্যি তাই না? কতটা খাপ খায় তোমাদের সাথে? কেউ খুব ‘precisely’ ভাবে express করতে পারবে? না না! বলতে নই, express করতে হবে। হ্যাঁ, ২য় শর্ত; চ্যালেঞ্জ।
১ নং- খুব precisely…
আর, ২ নং- প্রকাশ করতে হবে, বলতে নই…
যদিও অনেকের কাছে কথা বলা আর তার সাথে সাথে express করাটার মধ্যে পার্থক্য খোঁজার কোনো কারণ থাকে না। আমার কাছে? এই তো, আমি express করছি! শুধুমাত্র লিখছি বলছি বা
বকবক করছি তা তো না। ‘Express’, ‘বহিঃপ্রকাশ‘
শব্দটার মানে জানা আছে?
—-if you ‘express’ something,
it is more of your feelings. There could be an emotional touch in it.
like that idiom, ‘cry your heart
out’ নিজেকে ছেড়ে
দিয়ে কান্না করা, মাঝরাস্তায়, অন্ধকার দুপাশে বন, ঊর্ধে হাজার হাজার নক্ষত্র, তাদের প্রতিকৃতি- জঙ্গলের গভীরে; জোনাকি!
পারবে? দুটো শর্তকেই মাথায় রেখে তোমরা ভালোবাসো
কি না, সেটা পরীক্ষা করবার কত সুন্দর সুযোগ আমি তোমাদের দিচ্ছি।
যাও, গিয়ে express করো ‘তাঁর‘ কাছে খুব নিখুঁত ভাবে, অধৈর্য না হয়ে।
আমি এসেছিলাম এখানে ‘Kalank’ গানটার অন্যদুটো লাইন নিয়ে কিছু
প্রকাশ করতে। অবশ্যই তাঁর উদ্দেশেই। তো কী? হেহে! আমি ভালোবাসিনা নাকি? আমিও তো! হ্যাঁ জানি, সৌরব ওরম নই তো; ও খুবই mean, self-complacent, egoistic, somber, heartless… আরো কত কী! ভগবান!
“It’s rather a strong check to one’s self-complacency
to find how much of one’s right doing depends on not being in want of
money.”— George Eliot
কী জানি কী মনে হলো! এটা পেলাম, ভালো লাগলো, বুঝতে পারলাম, লিখে ফেললাম।
আসলে খুবই সহজে অন্যমনস্ক হয়ে যায়। নিজের পথ হতে অন্যথা আমি চলে যেতে থাকি, নিজেকে থামাতে চায়। হয়তো পারিনা।
ধুর! আমার রাখা শর্তে আমিই মারা পড়লাম। বলেছিলাম না? অনিশ্চয়তা ছাড়া হবে সবকিছু। এই দেখো আমার কথার দাম। এই এই
করেই আমি ‘optimistic’ থেকে ‘pessimistic’ চিন্তাভাবনাগুলোকে নিজের মধ্যে জায়গা দিতে
থাকবো। সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। সবটা, সবটা! না, আমি ভাঙতে দিতে পারি না। এভাবে
অনেকটা হয়ে গেলো আজ অবধি। জানি পরেও হবে, তবে, এতটা hostile হোক সেটা আমি চায়না। আমি হতে দেবো না।
‘पिया‘
dear, beloved, darling…
সেটাই তো, বাংলায়, ‘প্রিয়‘। কতটা মিশ্র অনুভূতি যুক্ত শব্দটা, তাই না? সব রকমের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। সবরকমের। এক শব্দে… পুরো জীবন।
আরেহ সৌরব, ওই দুটো লাইন নই তো কোন দুটো লাইন? একটু তাড়া দে, গুঁতো দে মনে। এতক্ষন কেউ অপেক্ষা
করে না রে! ৩০ সেকেন্ডের থেকে এটির আয়ু অনেক বেশি অনেকক্ষন আগেই হয়ে গেছে। বুঝিস
না? তাড়া দিতে হয়- বলে ফেল…
মাঝে মাঝে এটা ভেবে অনেক চিন্তা হয়; এখনো হচ্ছে, তাড়ার মধ্যে তাদের বোঝার ক্ষমতা কতটুকু থাকবে? আমার ভেতরটা- যতই হোক- কিছুটা ‘খুব মলিন‘। এতটাই যে বাইরে থেকে কখনোই কাওকে
মনে করতে দিই না। আমি admiration খুঁজি মানুষের চোখে, মানুষের মনে… Adoration; পাই না। খুঁজে পাই না! খুব কমকে
বাতিলের list-এ include করবার পর। আমি জানি আমার অর্ধেক direct অর্ধেক enigmatic কথা, শব্দ দিয়ে কেউ কোনোদিনও আসল অনুভূতিটাকে আমার admire করবার কথা ভাববে না। তাড়া দেখাবে! সত্য কিন্তু, কেউ কেউ তাড়া দেখায় না।
সেই আমার ‘पिया‘, সে সবার প্রথমে। Topper!
অপেক্ষা, আশা, অবহেলা, ইঙ্গিতপূর্ণ, ইঙ্গিতহীন, উপমাযুক্ত, উপমাছাড়া, অনুভূতিযুক্ত-আবেগযুক্ত, আবেগহীন, সবরকমের ভালোবাসার নাম ‘পিয়া‘।
“तू जुगनू चमकता
मैं जंगल घनेरा“
অনেককিছু ভাবনার আকারে আমার মধ্যে জন্ম নিচ্ছে আর এটা আবেদন করছে-
“আমাদের বাইরে আসতে দাও, তোমার খাতায় আমাদের জায়গা দাও… তোমার ভালোবাসার
প্রকাশে আমাদেরও সামিল হওয়ার সুযোগ দাও।”
“হিন্দি বলিউডের চার-পাঁচটে লাইন কতটা জায়গাজুড়ে নিজেকে স্থায়ী করে রাখলো
তোমার প্রকাশে। আমরা তো তোমার মনের, তোমার আপন শব্দ… তাদের কেন এত বেশি
সুযোগ দেওয়া?”
কত বড়ো ঝামেলা তাই না? অস্তিরতা! চঞ্চলতা! আনমনা!
সবকিছুই। কত কত কথা প্রকাশে যুক্ত হতে চাইছে। কত কত মুহূর্ত কত কত ঘটনার বিবরণ!
কোনোদিনও কি সম্ভব? আবার অনিশ্চয়তা সৌরব? Negativity?
কিসের জন্য এত অভিমান আমার, তাঁর প্রতি? এতো বেশিই যে তাঁরগুলোর প্রকাশের কোনো সুযোগই থাকে না। এতো অভিমান কেন? কেন? এত দিনের আলাদা থাকা? এতে তাঁর কী দোষ? তুই কতটা সজাগ ছিলিস? কতটা open? নিজের মনকে সাজানোর জন্য অন্যকে সুযোগ দেওয়াটা তুই কখনোই
কাওকে দিতে চাসনি! নিজের দোষটাকে, নিজের খাপছাড়া ভাবনাগুলো, জীবনের ধারাটাকে একবার প্রশ্ন কর। কেন? সৌরব! আজগুবি ভাবনাকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছিস আর এখন এসে
সেই ক্ষতটাকে অন্য একজনের ওপর দিয়ে চালিয়ে দিয়ে দিব্যি নিজেকে মহান ভেবে চলেছিস? এখনো!
আসলে, মাঝখানে অনেক্ষন বিরতি নিয়েছিলাম, অনেককিছু করা বাকি ছিল। পড়াশোনা করিনি তবে। অন্য সব; Chores… তাঁর মাঝেই আমি আবার পথ হারিয়ে ফেলেছি। অচেনা দেশে আমি
দিশেহারা হয়ে রয়েছি। কিরকম অনুভূতি আমার! এখন তা, কখনোই খুব সরল নই! খুব সহজ নই! আমি তা
পারবো না। সেগুলোকে প্রকাশ করবার ক্ষমতা আমার নেই।
না আছে, আছে। নিজেকে খুবই insecure মনে হয়। প্রতিনিয়ত, ২৪ ঘন্টার পুরোটাই নিজের প্রতি নিজের বিশ্বাসের প্রতি abuses ছুড়ে ছুড়ে নিজেকে ছোট করার চেষ্টা
করি। মনে মনে, সেটাই করছি। খুব অন্ধকারে রয়েছি। কালো ঘন অন্ধকার, নিস্তব্ধতা এতটাই, আমি আমাকে এই কালোতে হারিয়ে ফেলতে
শুরু করেছি। এতটা কুৎসিত কেন চারিপাশটা? এ আমি কোথায়? আমি কিচ্ছু খুঁজে পাচ্ছি না! উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম, হিমালয়-প্রশান্ত, ইউরোপ-ওশিনানিয়া? কোনোকিছুই নেই! অন্ধকার, শুধু অন্ধকার! আমি তো নিজেকে হারিয়ে
সবটাই নিঃস্ব হওয়ার পথে, মাটিতে নুইয়ে পড়েছি। ধুলো আমার চোখে আসছে। সবকিছুই
কেন জানি ধুমায়মান হয়ে উঠলো! আস্তে আস্তে হচ্ছে তো। ধোঁয়ায় সবদিক কেমন জানি
অন্যরকমের জগতে পরিণত হলো। অসংখ্য গাছ… কী মোটা মোটা আর বৃহৎ সেই গাছগুলির গুড়ি! গাছের উপরিভাগ
অনেকটা ওপরে, মনে হয় যেন সরাসরি চাঁদের সাথে গিয়ে আড্ডায় যোগ দিয়েছে। পায়ের তলে ধুলোকে এবার
বুঝলাম, সাদা-ধূসর; পুরো শরীরে সেই ধূসর রঙের ছোপ ছোপ হয়ে রয়েছে। কূপ অন্ধকারের তুলনায় অনেকটাই
ভালো তবে। চাঁদের আলোতেই সম্ভবত সবটা আলোকিত হয়ে রয়েছে, আমি এখনো নিঃস্ব যদিও। সবটাই কেউ
কেঁড়ে নিয়ে খুব দূরে আরো অচেনা কোনো অজানা দেশে পাড়ি দিয়েছে। তার পেছনেই এতো তাড়া
আমার, ‘তাঁর’, আমাদের; তোমাদের। তাকে পাওয়া অসম্ভব। আবার
তার দেখা পাওয়া! অনিশ্চিত! তবে? এখন কী হবে? সেসবকিছু হারিয়ে গেলো? এখন যদি পুনরায় অন্ধকার হয়? গ্রহণে না হয় কৃত্রিম আলোরই
সাহায্য নিলাম, কিন্তু পূর্ণিমার চাঁদের ভরসায় পথে নেমে অর্ধেক রাস্তায় যদি চাঁদকে মেঘেদের দল
ঘিরে ফেলে? নিজেকে অন্ধকারের থেকে… পুনরায় যদি মাটিতে লুটিয়ে পড়তে হয়, নিজেকে নিচু করতে করতে নিজের কবরে? আমাকে আমার থেকেই বাঁচিয়ে নেবে কে?
আমি জঙ্গল ঘন, সে চমকালো জোনাকি।
সেই ঘন জঙ্গলের গভীরে থাকা অসংখ্য জোনাকির একজন! নক্ষত্রের প্রতিরূপ!
প্রতিবিম্ব! অনেকটা উজ্জ্বল আর সাহসী… অনেকটা, এতো সাহস আমার আমাদের তোমাদের, কারোরই নেই। হাজার খুঁজলে দুই-তিন বারে সাফল্য পাওয়া যাবে
হয়তো। অনেক ক্ষমতাবান… নিজেই নিজের আনন্দে আস্ত ভয়ানকাকার জঙ্গলকে নিমেষে আলোকিত
করে দিয়ে সব নিস্তব্ধতাকেও উধাও করে দিতে সক্ষম। আলোর উপস্থিতিতে ঝিঝি পোকাদের সুর
ধরাটা ভুলে গেলে নাকি? সে জোনাকি, সেই পিয়া, সেই আমার প্রিয়; আমাকে বাঁচানোর জন্য নক্ষত্র হতে নেমে আসা নক্ষত্রের
একটুকরো অতিক্ষুদ্র এক কণা। অতিক্ষুদ্র জোনাকি আমার বিশাল কালো অন্ধকার বনের
মধ্যিখানে। উজ্জ্বল থাকুক সবসময়, হাসিভরা, জীবন্ত সবসময়।
‘पिया‘