~AI generated visual of Franz Kafka burning all his writings

 

The Way Home…

 

“See what a persuasive force the air has after a thunderstorm! My merits
become evident and overpower me, though I don’t put up any resistance, I grant
you.”

 

This persuasive force the air has… escorting me to the absolute bliss,
very far and away from the dark, from the melancholy. To the … bliss… absolute
bliss.

 

Kafka-র লেখা ওপরের চারটে line, তারপরের গুলো আমার। সৌরব সরকারের।
খুবই অচেনা একটা নাম
অনেক অজানা! তাই না?

 

আমি এই মুহূর্তে নিজেকে এক বিভ্রান্তিতে জড়িয়ে ফেলেছিলেখাকে লেখার মতো করে লিখতে সাগর
সমান বিশ্বাস নিজের প্রতি রেখে তবেই লেখার ময়দানে নাম উচিত।  বিশ্বাসই ভিত্তি! সত্যি কি তাই
? নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আর কিছুটা
ভালোবাসা! আচ্ছা!
Prerequisites… modern শব্দে বলতে গেলে। বোঝাতে গেলে।

 

নিজের প্রতি একটুও অবিশ্বাস যেন লেখাতে দক্ষ হওয়ার পথের কাঁটা! গভীর গর্ত, সেটিকে পেরিয়ে ওপারে ফুলের বাগানে, গন্তব্য যেটা, সেখানে পৌঁছনো খুবই মুশকিল। Undoable! সত্যি কি তাই? নিজের লেখাকে একটুও ঘৃণার পাত্রে রাখা মানে সে লেখার পড়ুয়া পাওয়া, সেই লেখার গল্পের শ্রোতা পাওয়া
একেবারেই স্বপ্ন হয়ে যাই! দিনে দেখা স্বপ্ন!
পাগলের স্বপ্ন!
তবুও দেখে যাই
; লোকে পাগলবলে তবুও দেখে যাই। এই স্বপ্ন
দেখার অন্ত নেই। এই স্বপ্নের মিল অনেকটা যুদ্ধের অবসানের অপেক্ষায় থাকা
প্রিয়‘-র স্বপ্নের সাথে। যুদ্ধ থামবে, তার প্রিয় তার বাহুদ্বয়ে
এসে লুটিয়ে পরে হাজার পরিমান কান্না
, কান্নার দরুন চোখ হতে জলে আঁচল ভেজাবে, যুদ্ধের ভয়াবহতা বাচ্চার মতো মায়ের কাছে, সমাজের কালোরূপ দেখা সেই ভীত বাচ্চাটা মা-কে গল্প শোনাবে।

 

মা দেখো তোমার ছেলেদের ধ্বংসলীলা কতটা ভয়ানক!”

 

তুমি কি সব দেখতে পেয়েছো? তুমি জানতে!”

 

নিজের লেখাকে সম্মান দেওয়াটাও খুব জরুরি শুনেছি। আমি তো একটা আস্ত ডায়েরি ছিড়ে
টুকরো করেছি
; অন্য এক-কে জ্বলন্ত উনুনে খড়া দুপুরে কাঠের গুঁড়ো আর কাঠের সাথে জ্বলতে
দিয়েছি! আমি একা নই। সে ও করেছে!
তোমরাও করেছো! করোনি?

 

সব ভালোবাসাহীন লেখা যদি উনুনে যেত তবে হয়তো শুরুতে সেই Kafka-র মনের ভাবনা গল্পের আকারে আমাদের
চোখে এসে পড়তো না। আমাদের মনে আলোড়নের সৃষ্টি করতো না। 

 

This persuasive force… সেই বল দিয়েই যত্নে না লেখা লেখাটাও অনেক ভালোবাসার অধিকারী হয়; ভালোবাসা না
পাওয়া লেখাটা
, নিজের লেখকের কাছে থেকেই!

 

 

 

 

“I stride along and my tempo is the tempo of all my side of the street,
of the whole street, of the whole quarter. Mine is the responsibility, and
rightly so, for all the raps on doors or on the flat of a table, for all toasts
drunk, for lovers in their beds, in the scaffolding on new buildings, pressed
to each other against the house walls in dark alleys, or on the divans of a
brothel.”

 

 

 

 

দায়িত্ব! এটি খুব সহজ, জটিল একেবারেই নই। এই দায়িত্ব খুবই তুচ্ছ! খুবই ক্ষীণ! তবে পূরণ করাটা পুরোটাই
মনের ওপর নির্ভরশীল। এখন আমার মন চাইছে হাতের এই দু-আঙ্গুল দিয়ে বিপ্লব নিয়ে আনি।

 

না একদমই না! আমি লেনিন নই! হিটলার তো মোটেই নই। চে গেভারা? ন্যাহ! কোনো কেউই নই আমি। আমি কি? কে? খুব জরুরি? যোগ্যতাও জানাতে লাগবে? কোনোটাও কি, worth
discussing, worthy of thinking
নই?

 

“…for lovers in their beds, in the scaffolding on new buildings…”

 

একেওপরের সাথে ভালোবাসা আদানপ্রদানে মত্ত দুই শরীরের গল্প ও আমার মন থেকে
হাতের এই দুই আঙ্গুল দিয়েই খাতায় নামবে। তেমনি
, সন্ধে পেরিয়ে গিয়েও নিয়নের সাহায্যে রাত অবধি কাজ করে
চলা শহরের কালো গলির ভেতরে বাশ দিয়ে তৈরী ধাঁচে খালি পায়ে থাকা শ্রমিকের গল্পটি
তার বাড়ির উঠানের গল্প, সেই উঠানে বুলডোজারের ঘাঁ, তার ছোটবেলার সর্বক্ষণের সঙ্গী, তার খেলার মাঠে উঁচু কংক্রিটলোহার জাল বুনে
ফেলা
; তার মেয়ের প্রতিকূলতাকে বুড়ো
আঙ্গুল দেখিয়ে নিজের মতো এগিয়ে যাওয়ার সাহসিকতার গল্প। সব সব সবের দায়িত্ব। বললাম
না
? অতি তুচ্ছ! অতি তুচ্ছ!

 

 

 

 

“I weigh my past against my future, but find both of them admirable,
cannot give either the preference, and find nothing to grumble at save the
injustice of providence that has so clearly favoured me.”

 

 

 

 

That providence has always clearly favoured me…

 

সত্যিই  তোআমি হলাম সেই মানুষগুলোর মধ্যে/মতো
একজন।

 

Who came up to this point of life without any
blockade, without any check, without any moment worth remembering. In either
way, as blissful as a lotus; or, as dark and melancholic as coal. My life has
always been as bleak as a lightly grey stone beside of a highway… I know my
future too, to some extent, how it will end up at the end.  

 

 

 

 

হয়তো  অনেককিছুই  মনে
করবার  মতো
, অনেক ঘটনা-মুহূর্তই admiration
acceptance deserve
করে। এই এক কথাতেই আমি Kafka-  সাথে ভিন্নমত। আমার future past কোনোটাই admirable নই। cursed ও নই হয়তো। একমুহূর্ত যদি অপেক্ষা করি
চোখদুটিকে বন্ধ করে চুপচাপ অতীত হতে বর্তমান বর্তমান হতে ভবিষ্যতে যাত্রার কথা
ভাবি
অনেককিছু অনেককিছু তবে সবগুলো ধূসর; খুব চমকালো বা আকর্ষণকারী নই খুব কুৎসিত ও নইমাঝে মাঝে খেয়াল আসে, ২য় বিশ্বযুদ্ধে আত্মবলিদানের
মাধ্যমে রণে নেমে যাওয়া সৈনিকের ত্যাগের কথা-তাদের কাটানো সময়ের
; যুদ্ধক্ষেত্রের trench এ। শত্রুর যখন দেখা নেই, আকাশে চাঁদের আলো ঝকঝকে আর আকর্ষণীয়-পুরো
আকাশটায়। সেই কালো
, কাদাভরা অন্ধকার গর্তে থাকা সৈনিক কিন্তু তার উর্দ্ধে মহাজগৎ। সে কোনটাকে মনের
মধ্যে জায়গা দেয়
? অতীত না ভবিষ্যৎ? নাকি অন্যকিছু? অন্য আশা, আকাঙ্খা, নাকি নতুন ভাবনা পুরোনো চলে যাওয়ানতুন আগামী, দুটোকেই ভুলে গিয়ে
চাঁদের নক্ষত্রের আলোয় নিজেকে তাদেরই একজন বলে গণ্য করা
?

 

 

 

 

“Only as I come into my room, I feel a little meditative without having
met anything on the stairs worth meditating about. It doesn’t help me much to
open the window wide and hear music still playing in a garden.”

 

 

 

 

It’s my type of Secret Annex.

 

 

 

 

Franz Kafka থেকে Anne Frank… মাঝখানে খুব কম বছরেই পার্থক্য, একজন যুদ্ধের ভয়াবহতার অতীতে আর একজন যুদ্ধের বহমানতার মধ্যে শুরু হয়ে দুজনেই আজও আজও। আমার মতো মানুষদের তাদের miserable self-এর থেকে দূরে যাওয়ার সুযোগ এনে
দিয়েছে। দূরে যাওয়া
, অনেক দূরে, কোটি-কোটি বছর-আলোকবর্ষ দূর অন্য এক জগতে; যেখানে, নিজের প্রতি আক্রোশ সমান থাকলেও, নিজেকে ঘৃণা করাটা অনেক কম। 

 

খুব যুক্তিযুক্ত কখনোই নই, কিন্তু-যদি মনে করো কিছুটা হলেও ভারী:

 

তবে কিছু কিছু লেখা মন থেকে আমার, আমি তোমাদের সামনে তুলে ধরতে পারি।

 

Don’t let me to leave for that place,

 

don’t let me to rot

 

don’t let to knot.

 

Unto the dark.

 

Little gentle, that is little harsh,

 

neither I want any crown

 

nor you let me go down.

 

Don’t let me go down.

 

I am like you, hence, you are like I.

 

Thus, the whole world is,

 

Don’t let me to lie… to lie…